নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৩ | প্রিন্ট | ১৬৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
যুক্তরাষ্টে বাড়ি কেনার চাহিদা একবারেই তলানীতে। রিয়েলেটররা ক্লায়েন্ট পাচ্ছেন না। ওপেন হাউজগুলোতে অনেক ক্রেতাও আসলেও কেউ বাড়ি কিনতে দাম অফার করছেন না। আর করলেও পরে টেলিফোন করে অপারগতা প্রকাশ করেন। নিউ ইয়র্ক সিটিতে প্রতি বছর সামারে বিভিন্ন এলাকায় ‘হাউজ ফর সেল’ সাইন দেখা যায়। এবার তেমন চোখে পড়েনি। আর চোখে পড়লেও মার্কেটে কয়েকদিন থাকার পর ক্রেতা নিজ থেকেই তা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এর প্রধান কারন সুদের উচ্চ হার। রিয়েলটর নজরুল ইসলাম আজকালকে বলেন, এ বছর নগদে কিছু বাড়ি ও কনডো বেচাকেনা হয়েছে। এতে চিত্রটি ছিল একেবারেই ভিন্ন। বিক্রেতাও বাজার দরের চেয়ে বেশ কয়েক হাজার ডলার কমে অফার গ্রহন করেছেন। দর কষাকষি হয়েছে জোড়ালোভাবে। তবে নগদে কেনার হার সামান্য। যাও দেখা গেছে তারা হলেন চাইনিজ কিংবা বাংলাদেশি কমিউনিটির লোকজন।
বর্তমানে মর্টগেজ লোনের সুদের হার শতকরা ৭ দশমিক ৪১ ভাগ। যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৭ দশমিক ৩১। বাড়ি রিফাইন্যান্স গত বছর এ সময়ের তুলনায় শতকরা ২১ ভাগ কম। বাড়ি কেনার জন্য মর্টগেজ লোনের জন্য আবেদনের সংখ্যা গত ১ বছরে তুলনায় কমেছে শতকরা ২৭ ভাগ। যা এক তৃতীয়াশের কাছাকাছি। গত ২৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মর্টগেজ লোনের সুদের হার এখন। আর মর্টগেজের চাহিদা ২৭ বছরের সর্বনি¤œ।
ফেডারেল ওপেন মার্কেট কমিটি (এফওএমসি) সম্প্রতি এক প্রোজেকশনে দেখিয়েছে, ইন্টারেস্ট রেট অদূর ভবিষ্যতে আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাড়ির ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় পক্ষই ইন্টারেস্ট রেট এর কারনে চাপের মধ্যে রয়েছে। অস্বাভাবিক ইন্টারেস্ট রেট বাড়ির মূল্যকে ঠান্ডা পানিতে নিক্ষেপ করেছে। লস এঞ্জেলস, স্যানহোজে, নিউইয়র্ক ও শিকাগো ও বস্টনের মতো বড়বড় শহরগুলোতে কিছু ক্রেতা উঁকিঝুঁকি দিলেও সারা দেশে বাড়ি ক্রয় বিক্রয়ে মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করছে।