শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

আজিজ মিসির সেলিম আ.লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটিতে

রাজনীতি ডেস্ক   |   বৃহস্পতিবার, ২০ জুলাই ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ১৪৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

আজিজ মিসির সেলিম আ.লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটিতে

সাম্প্রতি আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপকমিটির সদস্য পদ পেয়ছেন চুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান চুয়েট ছাত্রলীগ এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আজিজ মিসির সেলিম। ৯০ দশকের উত্তপ্ত চুয়েট ছিল নিত্যদিনের খবরে। ছাত্র রাজনীতির এক দীর্ঘ পথ পরিক্রমা শেষ এখন কাজ করছেন দলের উপ কমিটির জন্য।

৯০ দশকের ছাত্র রাজনীতির প্রসঙ্গ দিয়ে কথা শুরু করেন আজিজ মিসির, তিনি বলেন, ছাত্র রাজনীতির বর্ণিল সময় বলতে যা বোঝায়, একসময় তার সুযোগ ছিলো না চট্টগ্রাম বিআইটি ক্যাম্পাসে। দেশের প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের কর্তৃত্ব তখন এ অঞ্চল জুড়ে। ফকা চৌধুরী গত হলেও সাকা চৌধুরী তখন জীবিত, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সম্পৃক্ত যেকোনো কিছু একপ্রাকর নিষিদ্ধ তখন। জায়গাটির নাম রাউজান, যেটা কে সেসময় সন্ত্রাসের জনপদ বলা হত। আর সাকা বাহিনীর হতে সে সময় দ্বারা নিয়ন্ত্রিত রাউজানের মধ্যে তৎকালীন বিআইটি ক্যাম্পাস। নিজেদের ক্যাম্পাস পুরুদ্ধারে একটা যুদ্ধ শুরু করলো কিছু তরুণ। উদ্দেশ্য একটাই, সব চেয়ে দুর্ভেদ্য রাউজানে সাকার মাথায় উপরে ছাত্রলীগের পতাকা উড়ানো।

চুয়েটের সময়কার রাজনীতির কথা মনে করে সেলিম বলেন, আমাদের কর্মপরিকল্পনা এমন যেনো বিচ্ছিন রাউজানকে স্বাধীন বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করতে যুদ্ধে যাচ্ছি। আর অপরদিকে আছে এনডিপি চিহ্নিত ক্যাডাররা। এনডিপি বিতাড়িত হলে প্রাণস্পন্দন ফিরিয়ে আসে তখনকার বিআইটিতে। তবে সশস্ত্র এনডিপি একদিনে বিতাড়িত হয়নি, রক্ত ঝরাতে হয়েছিল ছাত্রলীগ কর্মীদের। ঠিক হিন্দি থ্রিলার সিনেমার মত প্রাণ বাঁচাতে হয়েছিল আমার।

আজিজ মিসির সেলিম
তিনি বলেন, যুদ্ধ ছিলো আমাদের পদে পদে, একদিন ঘুম ভেঙ্গে সংবাদপত্রের পাতায় দেখলেন প্রকৌশলী নিয়োগের জন্য শুধু বুয়েটের শিক্ষার্থীদেরই শুধু ডেকেছে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাকি বিআইটি মানে খুলনা, রাজশাহী, আমরা বাদ। এর প্রতিবাদে বিআইটি, চট্টগ্রামের ক্যান্টিনের সামনে ওই বহুজাতিক কোম্পানির পণ্য পোড়ানো মধ্যে দিয়ে যে আন্দলোন শুরু করি, তা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (বিআইটি) কে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রুপান্তরিত করে।

সাম্প্রতি উপকমিটিতে জায়গা পাওয়ার বিষেয়ে সেলিম বলেন, একটা আস্ত জীবন লড়াই সংগ্রাম করে চলছি। এবং যখন উপকমিটিতে জায়গা পেলাম তখন জাতীয় নির্বাচন সামনে, এখন বেশ কাজের চাপ। কবির বিন আনোয়ার স্যারের কিছু সরাসরি নির্দেশনা পেয়েছি আমাদের কমিউনিটিকে নিয়ে। আর সঙ্গে আছেন আবদুস সবুর ভাই। প্রকৌশলীরা পেশাজীবীদের মধ্যে অন্যতম যারা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত। সবাইকে একত্রিত করে আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে বিকল্প নেই সে আওয়াজ সাধারন মানুষের মধ্যে পৌঁছে দিচ্ছি। চলতি মাসেই আমাদের একটা অভ্যান্তরীণ সভা আছে, সেখানে আগামী জাতীয় নির্বাচনে আমাদের করণীয় নির্ধারিত হবে।

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনাদের ভূমিকা কি হবে, এমন প্রশ্নে সেলিম বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটা টিম আমাদের সক্ষমতায় কী কী করা সম্ভব তার বিস্তারিত একটা ফাইল করেছি, আশা করছি অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সেই ফাইল নেত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। নির্বাচনের আগে তো সবাই মিলে একটা প্রযুক্তনির্ভর সুন্দর ইলেকশন ক্যাম্পেইন করতে পারলে আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশের প্রথম স্মার্ট সরকার পরিচালনা করবেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে প্রকৌশলী আজিজ মিসিরের ভাবনা জানতে চাইলে বলেন, শেখ হাসিনা আমাদের স্বপ্ন দেখার যে লিমিটেশন ছিল তা কাটিয়ে দিয়েছে। সেপ্টেম্বর অক্টোবরের মধ্যে ঢাকা কানেন্ট করা মেগা ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্ট গুলো রান করে গেলে, যে নতুন ঢাকা মানুষ দেখবে তা আর্থনীতির চাকাকে আর দ্রুত গতিশীল করবে। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে সে ধারবাহিকতা যার যার কাজের মধ্যে দিয়ে তা অব্যহত রাখা।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম