জাতীয় ডেস্ক | বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট | ৫০ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
রোহিঙ্গাদের দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামে যুক্তরাজ্যের নেতৃত্ব অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারা কুক। এ সময় মন্ত্রী হাইকমিশনারকে এই আহ্বান জানান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোহিঙ্গা সহায়তার পাশাপাশি ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের প্রার্থিতায় যুক্তরাজ্যের সমর্থন কামনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশের প্রার্থীর যোগ্যতার বিষয়টি নিজ দেশের সদরদপ্তরে অবহিত করবেন এবং যুক্তরাজ্য বিষয়টি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে আশ্বাস দেন।
সাক্ষাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক ব্রিটিশমন্ত্রী সিমা মালহোত্রাকে পাঠানোর জন্য যুক্তরাজ্যকে ধন্যবাদ জানান। এ ছাড়া উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক, দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ ও যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বৈঠকে শিক্ষা, অভিবাসন, নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সহযোগিতার সুযোগ অনুসন্ধানের বিষয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করায় খলিলুর রহমানকে অভিনন্দনও জানান তিনি।
রোহিঙ্গাদের জন্য ২৬ লাখ ডলার অনুদান দিল জাপান
রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয়দের জীবনমান উন্নয়নে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাকে (আইওএম) ২৬ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দিয়েছে জাপান। কক্সবাজার ও ভাসানচরে এ সহায়তা ব্যয় করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
গতকাল আইওএমের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি এবং আইওএমের বাংলাদেশ মিশনপ্রধান গুইসেপে লোপ্রেতের মধ্যে একটি নোট সই হয়।
এ সহায়তা শরণার্থী শিবির ও আশপাশের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জরুরি মানবিক চাহিদা পূরণে একটি সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। প্রকল্পের আওতায় আশ্রয় সহায়তা, নন-ফুড আইটেম বিতরণ, এলপিজি সরবরাহ, স্বাস্থ্যসেবা, ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নসহ সমন্বিত কার্যক্রমের মাধ্যমে আনুমানিক পাঁচ লাখ ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী মানুষ উপকৃত হবেন।