হাল ছাড়ছে না যুক্তরাষ্ট্র। নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের সাথে তাদের শ্যাটল ডিপ্লোমেসি। যদিও দৃশ্যত এক তরফা। আমেরিকার ডেলিগেশন প্রতি সপ্তাহেই যাচ্ছে বাংলাদেশে। তাদের প্রত্যাশা একটাই। বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে হবে। আর বাংলাদেশের সরকারি দলের নেতারা দৌড়াচ্ছে ভারতে। এমনি এক সন্ধিক্ষনে ১২ আগষ্ট মার্কিন ২ কংগ্রেসম্যান ঢাকায়। তারা ১৫ আগষ্ট পর্যন্ত অবস্থান করবেন। তাদের মধ্যে রিচার্ড ম্যাককরমিক রিপাবলিকান দলের এবং এড কেস ডেমোক্র্যাট দলীয় ।পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তাদের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই ২ কংগ্রেসম্যান কংক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে আলোচনায় বসবেন। যার এজেন্ডা হবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও দুর্নীতি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। যা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে চাপে ফেলেছে। ২০২১ সালে র্যাব এবং এর ৭ কর্মকর্তার ওপর স্যাংশন দেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ২০২১ ও ২০২৩ সালে গণতন্ত্র সম্মেলনেও বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানায়নি।
গত ২৪ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য একটি ভিসা নীতি ঘোষণা করে। তদানুসারে জাতীয় নির্বাচনে যারা ভোট কারচুপি বা ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর মতো কার্যক্রমে জড়িত থাকবেন তাদের ভিসা দেবে না দেশটি।
গেল সপ্তাইে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বৈশ্বিক দুর্নীতিবিরোধী সমন্বয়কারী রিচার্ড নেফিউ গত ৬ থেকে ৮ আগস্ট ঢাকা সফর করে গেছেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়েছেন, স্যাংশন দুর্নীতি দমনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হবে।
নেফিউ’র বাংলাদেশ সফরকালেই ক্ষমত্সীন দল আওয়ামী লীগের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল দিল্লীতে গিয়ে বিজেপি নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠক করেছে। এ দলে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।