শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

বাংলাদেশে আবারও নোংরা ও হাস্যকর রাজনীতির পুনরাবৃত্তি!

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ২৯ জুলাই ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ৩০৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

বাংলাদেশে আবারও নোংরা ও হাস্যকর রাজনীতির পুনরাবৃত্তি!

নোংরা ও হাস্যকর রাজনীতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। লোক দেখানোর রাজনীতি ও ভন্ডামীরও সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে। শিল্পী কামরুল হাসান এরশাদ জমানায় এমন নাটক দেখে তুলির আঁচড়ে লিখেছিলেন বিশ্ব বেহায়ার কবলে বায়লাদেশ। এমনই খেলা শুরু হয়ে গেছে। বিএনপির নেতা আমান উল্লাহ আমানকে পিটিয়ে হাসপাতালে প্রেরণ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ের টীম তাকে দেখতে যাওয়া লজ্জার মাথামুন্ডপবিহীন আচরনেরই অংশ। গয়েস্বর রায়কে সর্বাঙ্গে পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে ডিবি অফিসে নিয়ে ভোজনে বসানোও হারুনীয় নাটক। টেবিল ভর্তি খাবারের সমারোহ করে তা মিডিয়ায় সরবরাহ বাংলাদেশের মানুষ সিনেমার মধ্যপর্ব হিসেবেই নিশ্চয়ই নেবেন। শেষ দৃশ্য দেখবার অপেক্ষাতো রইলো! বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের পর তিশা পরিবহনের বাসটিতে আগুন দেওয়া হয়।মোটরসাইকেলে ৩ যুবক এসে বাসে আগুন দিয়ে চলে যায়। ফকরুল বলেছেন, নিজেরা গাড়ি পুড়িয়ে-ভাঙচুর করে  বিএনপির উপর দোষ চাপাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পুলিশ বীরত্বের সঙ্গে সন্ত্রাস মোকাবেলা করছে। ২০১৪ সালে অগ্নি সন্ত্রাসের জন্য ডাক দিয়েছিলেন তখনকার চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। মানুষ থেকে শুরু করে জীবজন্তু এই অগ্নি সন্ত্রাস থেকে বাদ যায়নি। গাড়ি ভাংচুর, আগুন, মানুষকে পুড়িয়ে দগ্ধ করা সব কিছুই আপনারা লক্ষ্য করেছেন।

এ নাটকের চলমান পর্বে আমান ও গয়েস্বর চন্দ্র রায়ের পর্বটি তুলে ধরা হলো।

দৃশ্যপটে আমান

২৯ জুলাই দুপুরে রাজধানীর গাবতলীতে দলীয় কর্মসূচি পালনকালে আহত হয়ে হাসপাতালে যান ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান। সেখানে তাকে দেখতে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি প্রতিনিধি দল। তারা আমানউল্লা আমানের জন্য একটি ফলের ঝুড়িও নিয়ে যান।

বিকালে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে একটি গাড়িতে আমানউল্লাহ  আমান ফেসবুক  লাইভে এসে কথা বলেন। তিনি বলেন, আহত অবস্থায় হাসপাতালে থাকার সময় ঔষধ দিয়ে আমাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছিল। এমন সময় কে বা কারা তাকে দেখতে এসেছিল এবং ফলের ঝুড়ি দিয়ে গেছে তা তিনি বুঝতে পারেননি। চলমান আন্দোলনে তার ভূমিকার পিঠে ছুরি মারার জন্য, নেতকর্মীদের বিভ্রান্ত করার জন্য এই নাটক সাজানো হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আমানউল্লাহ আমান বলেন, সরকারের পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এই আন্দোলনে আছি। এতে মৃত্যু হলও পিছপা হবো না। এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত না হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

ওদিকে বিকালে হৃদরোগ ইনস্টিটিউট থেকে আমানউল্লা আমানকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয় বলে তার ব্যক্তিগত সহকারি জানিয়েছেন।

ছাড়া পেয়ে যা বললেন গয়েশ্বর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে আটকের কয়েক ঘন্টা পর ছেড়ে দিয়েছে ডিবি পুলিশ। শনিবার  বিকাল সোয়া তিনটার  দিকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এর আগে তাকে আটক করে ডিবি অফিসে নিয়ে  জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে পল্টনের তার নিজ কার্যালয়ে পৌঁছে দেয় ডিবি পুলিশ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সংঘর্ষের সময় আমার মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়ে পড়েছিল। পরে কোমর থেকে নীচ পর্যন্ত বেধড়ক পিটিয়েছে। সেখান থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে রাজারবাগের পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়। পরে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়েও নেয়া হয়েছিল। সেখান থেকে অফিসে দিয়ে গেল।

 

 

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম