শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

প্রধানমন্ত্রীর কৃচ্ছতায় সায় নেই কনস্যুলেট ও বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের!

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   শনিবার, ০১ এপ্রিল ২০২৩   |   প্রিন্ট   |   ২৩৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

প্রধানমন্ত্রীর কৃচ্ছতায় সায় নেই কনস্যুলেট ও বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের!

নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট ও জাতিসংঘস্থ বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মানছে না। দেশে কৃচ্ছতা সাধনে সরকারি ও দলীয় পর্যায়ে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী মুদ্রস্ফীতি ও অর্থনৈতিক মন্দার কারনে বাংলাদেশ সরকারও উদ্বিগ্ন। বিশ্বব্যাংক থেকে ঋন নিয়ে দেশ চালাতে হচ্ছে। ২০২৪ সাল থেকে এ সব ঋনের বিপরীতে বাংলাদেশকে গুণতে হবে কোটি কোটি টাকার সুদ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হবার পর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। প্রতিবেশি শ্রীলংকার পরিণতি সবার জানা। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে টানাপোড়েন চলছে। যেকোন মুহুর্তে অশুভ ঢেউ আঘাত করতে পারে বাংলাদেশকেও। মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তের ঘরে ইতোমধ্যেই হাহাকার শুরু হযেছে। সরকার দেশের সকল নতুন প্রোজেক্ট শুরুর ওপর অলিখিত নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। উদ্দেশ্য একটাই। অর্থনৈতিক ধাক্কা সামাল দেয়া।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধাক্কা খেয়ে খেয়ে পোড়খাওয়া নেত্রীতে পরিত হয়েছেন। আকাশে মেঘ দেখলেই তিনি বুঝতে পারেন তার তীব্রতা । একাই সামাল দিচ্ছেন ঘরেবাইরে ৫ দশক ধরে। এই প্রথমবারের মতো পবিত্র রমযানে সকল ধরনের ইফতার পার্টির আয়োজনে বারন করেছেন। রমযানে সরকারের চিরাচরিত ইফতার পার্টি করছেন না। দলীয়ভাবেও নিষেধ করেছেন ইফতার পার্টির আয়োজনের। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা নিশ্চয়ই নিউইয়র্কে পৌঁছেনি। স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের নামে চলেছে ইফতার ও নৈশভোজের আয়োজন। তা যেন ইফতার পার্টি নয়। দলীয় নেতাকর্মিদের নিয়ে ভোজন উৎসব।তা আবার কনস্যুলেট ও স্থায়ী মিশনে আলাদাভাবে। একদিনে যৌথভাবে করতে বাঁধা কোথায়? এমন প্রশ্ন প্রবাসী বাংলাদেশী অনেকেরই। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থে ভোজনবিলাসের হেতু কি? এইতো গত ২৬ ও ২৭ মার্চ তারা পৃথক পৃথক দুটি অনুষ্ঠান করলেন। অথচ এই দুটি অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথিদের শতকরা ৭০ ভাগই ছিল অভিন্ন। বাংলাদেশের এই দুটি প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষিত অতিথিদের তালিকাও একই। তা’হলে প্রত্যেকটি জাতীয় পর্যায়ের দিবসে ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানের হেতু কি? আর দেশ থেকে কোন মন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমন বা সরকারি সফরে এলে তাকে নিয়ে অনুষ্ঠান করতেই হবে কেন? দেশে প্রধানন্ত্রী যখন সাশ্রয়ের জন্য সবাইকে তাগাদা দিচ্ছেন তখন নিউইয়র্কে অপচয়ের হেতু কি? এমন প্রশ্ন সরকারি দলের অনেক নেতাকর্মিরও। অনেকেই মনে করেন, এ সব কর্মসূচির আড়ালে মিশন বা কনস্যুলেটের এক শ্রেনীর কর্মচারি বানিজ্যটি সেরে ফেলেন। কেনাকাটায় হাতিয়ে নেন কিছু।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম