নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৩ | প্রিন্ট | ৩৫৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
নতুন করে বাংলাদেশের সংবিধান তৈরির ওপর গুরুত্ত্বারোপ করলেন সাংবাদিক নুরুল কবির। তিনি বলেছেন, ১৯৭২ সালে সংবিধান রচিত হবার পর কোন সরকারই তাকে অক্ষত রাখেনি। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের মতো করে তা সংশোধন করেছে। আর তা করেছে নিজেদের আকাংখা ও ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য। সংবিধানের দোহাই দিয়ে ক্ষমতায় থাকার পথ খোলা হয়েছে। বর্তমান সংবিধান াাওয়ামী লীগের চাহিদার পুস্তকে পরিনত করা হয়েছে। এ সংবিধানের অধীনে জনগনের আকাংখার নির্বাচনের সুযোগ আছে বলে মনে করি না। গত রোববার জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেষ্টুরেন্টে এক আড্ডায় তিনি এ কথাগুলো বলছিলেন।
নুরুল কবির বলেন, ফ্রান্সেও ৫ বার নতুন কওে সংবিধান প্রনয়ন হয়েছে। এটা করলে সবকিছু অশুদ্ধ হয়ে যাবে না। তবে এই সংসদে যারা রয়েছেন তাদের দিয়ে জনগনের আকংখিত সংবিধান রচনা সম্ভব নয়। এ সংসদে যারা এমপি রয়েছেন তাদেও অধিকাংশ ব্যবসায়ী। রাজনীতিটা করেন ব্যবসায়িক ধ্যান ধারনা থেকে। তারা সংবিধান তৈরি করলে জনগনের কথা সেখানে থাকবে না। তা করতে হবে প্রকৃত দেশপ্রেমিক রাজনীতি সচেতক সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে। এই আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিক গিয়াস আহমেদ, ডাঃ মাসুদুর রহমান, ফরহাদ হোসেন, সাংবাদিক মনোয়ারুল ইসলাম, মনির হায়দার, শহিদুল ইসলাম, রতন তালুকদার, মিজানুর রহমান,মোহাম্মদ সাঈদ, মনজুরুল ইসলাম ও কাজী জেসিন।
বাংলাদেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রশ্নে নুরুল কবির বলেন, আমিতো লিখছি। কেউতো আমাকে বাধা দিচ্ছে না। আমাকে কোনদিন ডিজিএফআই বা গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন ফোন করে আমার পত্রিকা ‘নিউ এজে’ এ কোন নিউজ ছাপতে নিষেধও করেনি। অনেক সাংবাদিক নিজেরাই সেলফ সেন্সরশীপ আরোপ করছেন। তবে ইলেকট্রনিক মিডিয়া কিংবা টক শো’তে শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে আমার ব্যাপারে বাধা নিষেধ আরোপ করেন বলে মিডিয়া কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জানতে পেরেছি।