শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে যে শর্ত দিল সৌদি আরব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   বুধবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ১১৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে যে শর্ত দিল সৌদি আরব

সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহের জবাবে পাল্টা শর্ত দিয়েছে রিয়াদ। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকের আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কারবির আগ্রহের কথা জানানোর পর সৌদি আরব জানিয়েছে- স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখবে না তারা। বুধবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। খবর- রয়টার্স।

এর আগে সোমবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের পরদিন দোহায় সংবাদ সম্মেলনে ব্লিংকেন সৌদি আরব-ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহের কথা জানান। ব্লিংকেন বলেন, সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়টি নিয়ে সৌদি যুবরাজ আগ্রহের কথা বলেছেন। তবে এজন্য গাজায় সংঘাতের নিরসন এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সুনির্দিষ্ট সময়সীমার একটি প্রক্রিয়া নির্ধারণের কথা জানিয়েছেন।

গত বছরের জুনে সৌদি আরব সফর করেন অ্যান্টনি ব্লিংকেন। সম্পর্ক জোরদারে তেল সমৃদ্ধ দেশটিতে তিন দিনের সফরে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ব্লিংকেনের খোলামেলা, আন্তরিক আলোচনা হয়। আলোচনার বড় অংশজুড়ে ছিল সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি। তবে কর্মকর্তারা জানান, খুব সহজে বা তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে অগ্রগতির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, তাঁরা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন।

এ বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে ২ পক্ষ একমত হয়েছে। সৌদি আরব নিজেদের বেসামরিক পারমাণবিক প্রকল্প চালু, এর বাস্তবায়নে মার্কিন সহযোগিতা ও এ-সংক্রান্ত নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিনিময়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজি হয়েছে। বৈঠকে সুদান ও ইয়েমেনে সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টার ওপরও আলোকপাত করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, দুই দেশের স্বার্থ জড়িত আছে এ রকম কিছু সম্ভাব্য যৌথ উদ্যোগ ও মতভেদের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয় তাদের মধ্যে।

ওয়াশিংটন মনে করে, কয়েক দফা আলোচনার মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে এবং এ অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান রুশ ও চীনা আধিপত্য কমবে।

Facebook Comments Box
আরও
Advertise with us

ফলো করুন nykagoj.com-এর খবর

সম্পাদক
আফরোজা ইসলাম
কন্ট্রিবিঊটিং এডিটর
মনোয়ারুল ইসলাম